বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ উখিয়ার সোনাইছড়িতে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

চাল আমদানিকারকদের শেষ সুযোগ

চাল, ফাইল ছবি।

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

বেসরকারিভাবে আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া যেসব আমদানিকারক গত ২৫ মার্চ ও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খুলেছেন তাদের সব চাল আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাজারজাত করতে হবে। শেষবারের মতো চাল আনার সময় বেধে দিয়ে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এলসির সব চাল বাজারে আনার বেধে দেয়া সময় শেষ হয়েছে ২০ এপ্রিল।

চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেসকল আমদানিকারক গত ২৫ মার্চ ও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খুলেছেন কিন্তু চাল বাজারজাত করতে পারেননি তাদের এলসি করা সম্পূর্ণ চাল বাজারজাতকরণের জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো। এ সময় আর বর্ধিত করা হবে না।

খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার।

খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বেসরকারিভাবে চাল আমদানি জন্য বৈধ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ ১০ জানুয়ারির মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে বলা হয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্তে বেসরকারি পর্যায়ে সর্বমোট ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৩ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতির চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

কিন্তু বরাদ্দের বেশির ভাগ চালই আনতে পারেননি আমদানিকারকরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে না পারায় অনেকের বরাদ্দপত্র বাতিল করা হয়। যারা ঋণপত্র খুলতে পেরেছেন, পুরো চাল বাজারে আনতে পারছেন না তারাও। বার বার তাদের চাল বাজারে আনার সময় বাড়ানো হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৪ টন চাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯০১ টন চাল আমদানি হয়েছে। সুত্র:জাগো নিউজ।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION